"অহংকার পতনের মূল।" - সেই শৈশব থেকেই তো শুনে আসছি। কিন্তু সত্যি সত্যিই এই বাণীটাকে মন থেকে মেনে নিজেকে অহংকারের মতো নেতিবাচকতা থেকে দূরে রাখতে পারছি তো? চলুন একটা গল্প শোনা যাক!
ক্ষমা, ধৈর্য আর দূরদর্শিতা নামের এই বৈশিষ্ট্যগুলোকে মানুষের অতি মানবীয় গুনাবলী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এদের মাহাত্ম্য কখনো কখনো একটা মানুষকে বদলে দেয়ারও অপরিসীম ক্ষমতা রাখে! কীভাবে সেটা জেনে নাও এক বিজ্ঞ আর দূরদর্শী প্রিন্সিপাল ও এক দুষ্ট বালকের গল্প থেকে!
A number of studies show that luck is more of a self-fulfilling prophecy, and you can actually create it yourself.
বিশ্বাস করো ৩ - ৪ মাস যদি একটু ভালো করে পড়াশোনা করো, তুমি যেখানেই যেতে চাও সেখানেই যেতে পারবে
"মার্সমেলো টেষ্ট"
১৯৬০ র দশকে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক খুব ইন্টারেস্টিং একটা রিসার্স করে জেটির নাম ছিল "দি মার্সমেলো টেস্ট"। মার্সমেলো হল একটা মিষ্টি জাতীয় খাবার। প্রথমে তিনি ৪ বছর বয়সের কিছু বাচ্চাকে একটা ঘরে নিয়ে আসেন এবং তাদেরকে একটা মার্সমেলো অথবা মিষ্টি জাতীয় খাবার দেন। তারপর তিনি বাচ্চাদের বলেন যে তোমরা এখন খেতে পারো অথবা আমি ঠিক ১৫ মিনিট পরে আবার আসব এবং তখনও যদি তোমরা না খেয়ে থাকো তাহলে আমি তোমাদের আরও একটি মার্সমেলো দিবো। তাই খুব সিম্পল, যদি বাচ্চারা তখনই খেয়ে ফেলে তাহলে সে একটাই মার্সমেলো পাচ্ছে আর যদি সে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে তাহলে সে দুইটা মার্সমেলো পাবে। এখন যখন শিক্ষক চলে গেলেন তখন ঘরে আগে থেকে লাগান ক্যামেরায় দেখা গেল প্রতি ৩ জন বাচ্চার ২ জনই সাথে সাথেই মার্সমেলোটি খেয়ে ফেলল আর একজন ১৫ মিনিট অপেক্ষা করল আরও একটি মার্সমেলো পাওয়ার জন্য। তো যাদের উপর এই রিসার্সটি করা হয়েছিল আরও ১০ বছর পরে দেখা হয় তারা জীবনে কে কি করেছে! এবং সেখানে দেখা যায় যে বাচ্চাগুলো ১৫ মিনিট অপেক্ষা করেছিল এবং আরও একটি মার্সমেলো পেয়েছিল অন্য সবার থেকে প্রথমত তাদের SAT স্কোর অনেক ভাল হয়। SAT স্কোর হল আমাদের দেশের ভর্তি পরীক্ষার মত ওদের একটা স্ট্যান্ডার্ড। তো সেখানে তারা অন্য সবার থেকে ভাল করেছিল, দ্বিতীয়ত তাদের ড্রপ আউট রেট অন্য সবার থেকে অনেক কম ছিল, তৃতীয়ত তাদের BMI রেট অনেক ভাল ছিল। এটার পরে খেয়াল করা হয় যে এমনটা কেন হচ্ছে? তখন দেখা যায় যারা ১৫ মিনিট অপেক্ষা করেছিল তাদের মধ্যে খুব ভাল একটা গুন ছিল। সেটি হল তারা যেকোন শর্ট টার্ম মোহ অথবা চাওয়া অথবা প্রাপ্তিকে দমিয়ে রেখে লং টার্ম কোন কিছু পাওয়ার যে চিন্তা বা চাওয়া সেটিকে ধরে রাখতে পেরেছিল। শুধু এই দক্ষতাটা থাকার কারনেই কিন্তু তারা অন্য সবার থেকে ভাল করেছিল। সুতরাং মার্সমেলো টেষ্ট থেকে এটাই প্রমাণিত হয় যে, আমরা অনেক সময় শর্ট টার্ম কিছু প্রাপ্তির জন্য লং টার্ম অনেক সুযোগ হাতছাড়া করে ফেলি এবং এই জিনিসটা আমাদের সবার হয়। এইটার ইংলিশে একটা টার্ম আছে "Instant Gratification" যেটার মানে হল তাৎক্ষনিক কিছু পেতে চাওয়া। এই একটা ভুলের জন্য কিন্তু আমরা আমাদের লাইফ র অনেক কিছু মিস করে ফেলি। এই এখন একটু ঘুমানোর জন্য পড়া মিস করি, একটা ভাল রেজাল্ট মিস করি। এখন একটু মজা করার জন্য ভবিষ্যতে একটা ভাল ক্যারিয়ার মিস করি। আমরা সবসময় তৎক্ষণাৎ রেজাল্ট টা চাই।
সুতরাং তুমি যদি তাৎক্ষনিক প্রাপ্তিটাকে দমায় রেখে ভবিষ্যতের কিছু একটা পাওয়ার প্ল্যানটা ধরে রেখে সেটার পিছনে লেগে থাকতে পারো তাহলে রিসার্স বেইজ রেজাল্ট যা হলো সে ক্ষেত্রে তোমার সফলতা পাওয়ার যে সম্ভবনা সেটি অনেক অনেক গুনে বেড়ে যাবে।
The fact is, you can transform your life. You really do have that power. Sometimes, to have a positive experience on the outside, we have to uncover and release the past negative experience trapped on the inside. Share with your FRIENDS who need to see this!
Our inflated self-worth sometimes blinds us from the actual picture. We often let our ego control our actions & make horrible decisions.
3 things you will get by making this blueprint:
Blueprint for the Soul তৈরি করার জন্য একটা কাগজে তিনটি বক্স করতে হবে। বক্স তিনটি যথাক্রমেঃ
১। Experience নিজেকে যেই প্রশ্নটি করতে হবেঃ What experiences do you want to have in this lifetime? নিচের চারটি বিষয়ে উপরের প্রশ্নটির উত্তর বের করতে হবেঃ -Adventure -Relationship -Friendship -Environment
২। Growth নিজেকে যেই প্রশ্নটি করতে হবেঃ How do you want to grow? নিচের চারটি বিষয়ে উপরের প্রশ্নটির উত্তর বের করতে হবেঃ -Fitness -Intellect -Skill -Spirituality
৩। Contribution নিজেকে যেই প্রশ্নটি করতে হবেঃ How do you want to contribute? নিচের চারটি বিষয়ে উপরের প্রশ্নটির উত্তর বের করতে হবেঃ -Career -Creative -Family -Community
Blueprint for the Soul কন্সেপ্টটি নেয়া হয়েছে The Code of Extraordinary Mind by Vivek Lakhiani বই থেকে। নিজের মানিসকতা সুন্দর ও দৃঢ় করতে বেশ দারুণ একটি বই। (আত্মউন্নয়নমূলক বই - ৩৫০ পৃষ্ঠা - পড়ে শেষ করতে ১০+ ঘন্টা লাগবে)
I tried this experiment while living in Goodenough Hall of University of Cambridge and I was so surprised to see all my asks coming to reality. Do experiment this in your life as well to see if magic really happens.
গত বছর আমি একটা গ্লোবাল "Youth Conference" এ যোগদেয়ার জন্যে কানাডা যাই এবং সেখানে আমার একজন স্পিকার ছিলো যার নাম "Jerome Jaree" আমাদের ভাষায় সে একজন ইন্টারনেট সেলিব্রেটি। আর যেহেতু সে একজন সেলিব্রেটি তাই সুযোগ না হারিয়ে আমি তার সাথে একটা সেলফি তুলে ফেলি। কিছুদিন আগে আমি দেখতে পাই একটা ভিডিও বার বার অনেকে শেয়ার দিচ্ছে। দেখার খুব ইচ্ছে জাগলো মনে তাই ভিডিও টা ওপেন করলাম এবং দেখে তো আমি অবাক আরে এটাতো সেই "Jerome Jaree" যার সাথে আমার সেলফি আছে।
যাই হোক ভিডিও টা দেখা শুরু করলাম দেখি এই ভিডিও টা সোমালিয়া কে নিয়ে। আমরা হয়ত অনেকে জানিনা এই মুহুর্তে সোমালিয়াতে একটা দূর্ভিক্ষ চলছে। সেই দেশের মোট যে জনসংখ্যা আছে তার অর্ধেকের বেশী মানুষ খাদ্য অভাবে রয়েছে! এবং কিছু দিন আগে একটা খবর বের হয়েছিলো যে পানির অভাবে একজন শিশু মারা যায়। এই খবর টা দেখে Jerome সাথে সাথে "GOOGLE" করে এবং পথ খুঁজতে থাকে কিভাবে সোমালিয়ার মানুষদের কে সাহায্য করা যায়। যা ভাবা সেই কাজ নেমে পড়লেন তিনি কিন্তু সাহায্য তো দূরে থাক সে দেখে সোমালিয়াতে কোনো ফ্লাইটই ল্যান্ড করে না, কোনো এয়ারলাইন্স সেখানে যায় না। সে অনেকটা ঘাবড়ে যায় কিন্তু হাল ছেড়ে না দিয়ে চেষ্টা করতে থাকে কিভাবে কি করা, পেয়েও গেলো এমন একটা এয়ারলাইন্স যা শুধু সোমালিয়া যায় আর সেটার নাম হলো "Turkish Airlines" এটা দেখে সে সাথে সাথে তার মোবাইল বের করে একটা ভিডিও করে এবং সেই ভিডিও তে সোমালিয়ার অবস্তা তুলে ধরে এবং কিভাবে সেখানকার মানুষদের কে সাহায্য করা যায় সেই চেষ্টা করে এছাড়াও ভিডিও তে সে একটা হ্যাস ট্যাগ ব্যাবহার করে যা হলো : #TurkishAirlinesHelpSomalia
সে Turkish Airlines কেও একটা বার্তা পাঠালেন সোমালিয়া কে সাহায্য করার জন্যে, মুহুর্তের মধ্যে তার ভিডিও টি অনেক শেয়ার পায় এবং সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার হলো এটাই তার ভিডিও টা দেখে Turkish Airlines কতৃিপক্ষ Jerome এর সাথে কথা বলে এবং তারাও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। সেই সময় সোমালিয়াতে তুর্কিস এয়ারলাইন্সের কিছু কার্গো বিমান যায় এবং Jerome এর ভিডিও টি প্রকাশ পাওয়ার পর ৬০ টন জায়গা জেরোমের নামে সাহায্য ত্রাণের জন্যে বরাদ্দ করা হয়। এতে করে জেরোম এবং তার ক্যাম্পিংএ যারা ছিলো তারা বিমান পেয়ে গেলো, বিমানে ৬০ টন জায়গাও পেয়ে গেলো। এখন কথা হচ্ছে এই যে জায়গা পেলো এটার জন্যেতো খাদ্যের দরকার, রিলিপ দেয়া দরকার এবং এটার জন্যে অনেক টাকার প্রয়োজন, তাই তারা সবাই মিলে ক্রাউড ফান্ডিং শুরু করে এর মানে হচ্ছে সবাই মিলে টাকা কালেকশন করা তাও আবার অনলাইন বার্তার মাধ্যমেই। তারা প্লান করে ১০ দিনের মধ্যে $1 মিলিয়ন ডলার জমা করতে হবে অর্থাৎ ৮ কোটি টাকা এবং আরো আশ্চর্যের ব্যাপার হলো মাত্র ৩ দিনের মধ্যে ২ মিলিয়ন ডলার জমা হয়ে গেছে তার মানে প্রায় ১৬ কোটি টাকা। এই ভিডিও টি দেখে আমি ভাবতে থাকি মানুষ অনলাইন কে কাজে লাগিয়ে কত ভাল ভাল কাজ করতে পারছে আর আমি এখনো সেই সেলফি তোলা নিয়েই আছি। তার এই ছোটো ভিডিওটি সোমালিয়ার কয়েক মিলিয়ন মানুষের জীবন বদলে দেয়। আর এই ভিডিওটির মাধ্যমে আমিও বুঝতে পারি ইন্টারনেট শক্তি কি।